সংবাদ’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি মনির হোসেন পিন্টুকে হাত পা গুড়িয়ে দেওয়া হুঁমকী দিয়েছেন ৩ নং চরভদ্রাসন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার

0
110

কানিজ ফাতেমা আদুরি,ফরিদপুর প্রতিনিধি:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন প্রেস ক্লাবের
সাংগঠনিক সম্পাদক ও ‘দৈনিক আমার
সংবাদ’ পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি
মনির হোসেন পিন্টুকে হাত পা গুড়িয়ে
দেওয়া হুঁমকী দিয়েছেন ৩ নং চরভদ্রাসন
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, মেম্বার ও
চেয়ারম্যান দালাল চক্র। সম্প্রতী
ভিজিডি কার্ড দেওয়ার কথা বলে উক্ত
ইউনিয়নের ০১ নং ওয়ার্ডের ৬টি দুস্থ
পরিবারের কাছ থেকে উৎকোচ গ্রহণের
অভিযোগে সংবাদ প্রকাশের জের ধরে
মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় সাংবাদিককে ইউপি
অফিসে ডেকে নিয়ে তার হাত পা গুড়িয়ে
দেওয়ার হুঁমকি দেওয়া হয়।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত চরভদ্রাসন প্রেস
ক্লাবের সভাপতি মোঃ মেজবাহ উদ্দিন
প্রতিবাদ করলে উক্ত ইউপি’র ৬ নং
ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ বোরহান উদ্দিন
মোল্যাও তার উপর চড়াও হয়। এ ব্যাপারে
সাংবাদিক মনির হোসেন পিন্টু চরভদ্রাসন
থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করার
প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন। জানা
যায়, ৩ নং চরভদ্রাসন ইউনিয়নের ০১ নং
ওয়ার্ডের কে.এম. ডাঙ্গী গ্রামের মৃত সেক
লাল মিয়ার ছেলে হায়দার সেক (৪৫)
চেয়ারম্যান মেম্বার দিয়ে ভিজিডি কার্ড
করিয়ে দিবেন বলে প্রতিশ্রতি দিয়ে ০৬টি
দুস্থ পরিবারের কাছ থেকে মোট ১১ হাজার
টাকা হাতিয়ে নেয়। ক্ষতিগ্রস্থ
পরিবারগুলো ভিজিডি কার্ড না পেয়ে
স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ
করলে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও অনলাইনে
সংবাদ প্রকাশ হয়। এতে ইউপি চেয়ারম্যান
মোঃ আজাদ খান ও মেম্বাররা ক্ষিপ্ত হয়ে
ওঠেন।
ইউনিয়নরে ০৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ
বোরহান উদ্দিন মোল্যা সাংবাদিক
মেজবাহ উদ্দিনকে ফোন করে
চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করতে অনুরোধ
করেন। পরে ইউপি অফিসে মনির হোসেন
পিন্টুকে দেখে চেয়ারম্যান আজাদ খান
ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। চেয়ারম্যানের সামনে
বসা তার দালাল চক্রর মধ্যে আইয়ুব হোসেন
(৪৮) সহ অন্যান্যরা সাংবাদিক মনির
হোসেন পিন্টুর হাত পা গুড়িয়ে দেওয়ার
হুঁমকী দিতে থাকে। এ সময় সাংবাদিক
মেজবাহ উদ্দিন প্রতিবাদ করলে মেম্বার
বোরহান উদ্দিন মোল্যা তার উপর চড়াও
হয়ে কুদিফান্দি করতে থাকে। এ ব্যাপারে
৩ নং ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ খানের
বক্তব্য নিতে মুঠোফোনে একাধিকবার
যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ
করেননি।
চরভদ্রাসন প্রেস ক্লাবের সভাপতি
মেসবাহউদ্দিন বলেন, চেয়ারম্যান
আমাদেরকে ইউনিয়ন পরিষদে ডেকে নিয়ে
সবার সামনে পিন্টুকে চেয়ারম্যান ও তার
লোকজন অকর্থক ভাষায় গালিগালাজ ও
হাত-পা গুড়িয়ে দেওয়ার হুঁমকী প্রদান
করে। আমি এর প্রতিবাদ করলে তারাও
আমার উপর চড়াও হয়। আমি এ ঘটনার তীব্র
নিন্দা জানাচ্ছি। চরভদ্রাসন থানার ওসি
রাম প্রসাদ ভক্ত বলেন, এব্যাপারে
আমাকে এখনও কেউ অভিযোগ করেনি। তবে
কেউ অভিযোগ করলে তদন্ত করে ব্যবস্থা
নেওয়া হবে।

Comments

comments

SHARE