হাসিনা মোদির ওপর আস্থা রাখতে চান

0
155

তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসের ওপর আস্থা রাখতে চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ৪ দিনের ভারত সফরের শেষ দিন সোমবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দিদি মণি (মমতা ব্যানার্জি) তিস্তা ইস্যুতে আর কী করবেন, তিনিই জানেন। আমি তার সঙ্গে কথা বলার পর তিনি আরও নতুন কিছু বিষয় আলোচনায় এনেছেন। যদিও মোদিজি (নরেন্দ্র মোদি) আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আমরা এখানে আছি এবং দেখছি তিনি কী করেন। মমতা তিস্তার পানি দিতে না চাইলেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছেন  উল্লেখ করে শেখ হাসিনা রসিকতার সুরে বলেন, কুছ তো মিলা। ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নয়াদিল্লির ইম্পেরিয়াল হোটেল মিলনায়তনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন। পরে নয়াদিল্লির হোটেল তাজমহলে ব্যবসায়ীদের এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে করা চুক্তিগুলোর সপক্ষে যুক্তি দেখান। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিগুলো জনগণ ও আঞ্চলিক কল্যাণে স্বাক্ষরিত হয়েছে। তিনি বলেন, যারা বলছেন ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে দেশ বিক্রি করে দেয়া হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে তারা অর্বাচীন। খবর বাসস ও বিডিনিউজের। 
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোকে দারিদ্র্যমুক্ত করে জনগণের উন্নত জীবন নিশ্চিত করার জন্য এ অঞ্চলের দেশগুলোর পারস্পরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি বলেন, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সবসময়ই জনকল্যাণের জন্য সুযোগ সৃষ্টি করে। এখানে কোন দেশটি বড় আর কোনটি ছোট, এটা কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। আমরা একটি সার্বভৌম দেশ। কাজেই আমরা সবসময় একে অপরকে সম্মান করি এবং বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দেই। কারণ বন্ধুত্ব ছাড়া বিবাদপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকলে কিছুই অর্জন সম্ভব নয়। ভারত এবং বাংলাদেশের সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যুগান্তকারী পদক্ষেপ এবং তার নেতৃত্বে এ অঞ্চলের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রীকে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। ভারতের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন বিজেপির উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান এল কে আদভানি এবং ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক নির্মলা সীতারমন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন। 
অনুষ্ঠানে ইংরেজিতে দেয়া বক্তৃতার ফাঁকে হিন্দিতেও বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, দুই দেশের যে কমন জলজ সম্পদ রয়েছে, সেগুলোকে একীভূতভাবে ব্যবহার করা উচিত এবং দুই দেশের মধ্যে কমন নদীগুলোর পানি বণ্টনের ওপরই আমাদের উভয়ের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। তিস্তা ইস্যুতে শেখ হাসিনা বলেন, (ভারতের) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আরও একবার এ ইস্যু সমাধানে তার সরকারের দৃঢ় আকাক্সক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করে শিগগিরই এটি সমাধানের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে উল্লেখ করেছেন। এমন হলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে। তিনি বলেন, দিদি মণি (মমতা ব্যানার্জি) তিস্তা ইস্যুতে আর কী করবেন, তিনিই জানেন। আমি তার সঙ্গে কথা বলার পর তিনি আরও নতুন কিছু বিষয় আলোচনায় এনেছেন। যদিও মোদিজি (নরেন্দ্র মোদি) আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। আমরা এখানে আছি এবং দেখছি তিনি কী করেন। প্রধানমন্ত্রী অবশ্য বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ প্রদানে রাজি হওয়ার জন্য মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা পানির জন্য দাবি করে বিদ্যুৎ পেয়েছি। কুছ তো মিলা (কিছু তো একটা পাওয়া গেল)। 
ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত সেই দেশ, যারা আমাদের স্বাধীনতায় সহযোগিতা করেছে। আমাদের যে কোনো দুর্দিনে সবসময় আমাদের পাশে থেকেছে। আমরা একই মর্যাদা এবং ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে আমাদের জনগণের, বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছি। দারিদ্র্য দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো সাধারণ শক্র উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এ দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে এবং রাজনীতিবিদ হিসেবে এটা আমাদের দায়িত্বের মধ্যেই পড়ে। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এবং ভারত সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ভিত্তির ওপর এবং একই ধরনের সাধারণ আকাক্সক্ষার ওপর প্রতিষ্ঠিতÑ যার মূলে রয়েছে স্বাধীনতার সামগ্রিক মূল্যবোধ, গণতন্ত্র, মৌলিক মানবাধিকার ও আইনের শাসন। তিনি বলেন, এ সম্পর্কের ভিত্তি রচনা হয় বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রারম্ভে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরে। এরপর থেকে যতই দিন গেছে, এ সম্পর্ক আরও গতিশীল, পরিপূর্ণ এবং কৌশলগত পূর্ণতা লাভ করেছে। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত সহযোগিতার প্রায় সব ক্ষেত্রেই উন্নতির ছোঁয়া লেগেছেÑ বিশেষ করে যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, ব্যবসা-বাণিজ্য, স্বাস্থ্য এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রগুলোয়। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের রূপকল্প ঠিক করেছি এবং আশা করছি, ভারতও আমাদের এ উন্নয়নের যাত্রার সারথী হবে। সীমান্ত চুক্তিটি ভারতের লোকসভা এবং রাজ্যসভায় সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হওয়ায় ভারতের সব রাজনৈতিক দলের সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, এটা ঐতিহাসিক ১৯৭১ সালের মতোই বিষয়, যখন ভারতের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল, সংসদ সদস্য এবং ভারতের জনগণ বাংলাদেশকে দ্ব্যর্থহীনভাবে সহযোগিতা প্রদান করেছিল। বাংলাদেশ ও ভারতের সহযোগিতার বিষয়টি, বিশেষ করে বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতার উল্লেখ করে ‘মাল্টি মডেল কানেকটিভিটি’ এবং বাংলাদেশে ভারতের বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনার জন্যই এটা জরুরি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ভারত থেকে আরও বিনিয়োগ, বিশেষ করে বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় বিনিয়োগ আনার জন্য কাজ করে যাচ্ছি এবং এরই মধ্যে ভারতের বড় বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর এ বিষয়ে আগ্রহ দেখতে পেয়েছি। ২৫ মার্চকে ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালনে জাতিসংঘের স্বীকৃতি আদায়ে ভারতের সহযোগিতা প্রত্যাশা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৩০ লাখ প্রাণের আত্মাহুতি এবং দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর এ গণহত্যার ইতিহাসকে মুছে ফেলার প্রচেষ্টা চলছে। পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা স্মরণে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সম্প্রতি ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস ঘোষণা করে সর্বসম্মতভাবে একটি বিল পাস করেছেÑ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চাই এ গণহত্যাকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় স্বীকৃতি প্রদান করুক। তিনি বলেন, আমরা এটা ক্ষমা করতে পারলেও কোনোদিন ভুলতে পারব না। অনুষ্ঠানে দেয়া ভাষণে এল কে আদভানি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের শুরুতেই আদভানি শেখ হাসিনাকে শাল এবং ক্রেস্ট উপহার দেন। 
জনগণের কল্যাণে ভারতের সঙ্গে চুক্তি Ñপ্রধানমন্ত্রী : ভারতের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে সরকার দেশ বিক্রি করে দিয়েছেÑ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার এ বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিগুলো জনগণ ও আঞ্চলিক কল্যাণে স্বাক্ষরিত হয়েছে। তিনি বলেন, যারা বলছেন ভারতের সঙ্গে চুক্তি করে দেশ বিক্রি করে দেয়া হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে তারা অর্বাচীন। কারণ আমরা সামগ্রিকভাবে জনগণ ও আঞ্চলিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছি। সোমবার বিকালে নয়াদিল্লির হোটেল তাজমহলে ব্যবসায়ীদের আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 
ব্যবসায়ীদের উদ্দশে তিনি বলেন, আপনারা বলুন, আমরা দেশ বেচে দিলাম নাকি কিছু অর্জন করে ফিরছি। ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফআইসিসি) এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের জনগণের জীবন ও জীবনযাত্রার উন্নয়নে বাংলাদেশে ব্যবসা এবং বিনিয়োগ করার জন্য ভারতের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি উদ্ভাবনী ও বাস্তবভিত্তিক অর্থনীতি বিনির্মাণ করা, যা অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। আমি নিশ্চিত, আমরা একত্রে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবনমানের পরিবর্তন আনতে পারব। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্থিতিশীল দেশ। এ দেশ সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং একসঙ্গে উন্নয়নের লক্ষ্যে ভারতের সঙ্গে রয়েছে বাংলাদেশের চমৎকার সম্পর্ক। তিনি বলেন, আপনারা ধনী। এজন্য আমি বাংলাদেশে আপনাদের ব্যবসা ও বিনিয়োগ করার আহ্বান জানাই। ভারতের ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বেশি মুনাফাসাশ্রয়ী ব্যয় ও বিপুলসংখ্যক ভোক্তার সুযোগ নিতে পারে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে ইইউ, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিশ্বে ৩৮টি দেশ থেকে জিএসপি সুবিধা পায়। শেখ হাসিনা ভারতের ব্যবসায়ীদের বলেন, আপনারাও চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও চিলির মতো দেশগুলো থেকে বাংলাদেশকে দেয়া শুল্কমুক্ত এবং কোটামুক্ত সুবিধার সুযোগ নিতে পারবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিল্পায়ন ও বিদেশি বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে। এর মধ্যে মংলা, ভেড়ামারা ও মীরসরাই বিশেষভাবে ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট করা হয়েছে। 
দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী : ৪ দিনের ভারত সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ভিভিআইপি ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এর আগে ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বিকাল পৌনে ৫টায় নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দর ত্যাগ করে। প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে পালাম বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন ভারতের ভারি শিল্প ও সরকারি প্রতিষ্ঠানবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশী হাইকমিশনার সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ও ঢাকায় ভারতীয় হাইমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রীংলা। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেন। এছাড়া ভারতের রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ও উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারীর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন তিনি। সফরকালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি সোনিয়া গান্ধী, ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছে। আজ বিকেল সাড়ে ৪টায় ভারত সফর নিয়ে গণভবনে সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

Comments

comments

SHARE