চরভদ্রাসনে জামায়াত নেতা মুক্তিযোদ্ধার স্থাপনা গুড়িয়ে দিয়েছে

0
146

স্টাফ রিপোর্টারঃ ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা ফজর উদ্দিন আহাম্মেদের ছেলে মাহবুব ইসলাম কোকিল মোল্যার হাজীডাঙ্গী গ্রামের ফসলী মাঠের মধ্যে গড়া একচালা টিনের ছাপড়া ঘর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। জমিজমা সংক্রান্ত ুিবরোধের জ্বের ধরে পার্শ¦বতী বালিয়া ডাঙ্গী গ্রামের বসতি উপজেলা জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারী নূর ইসলাম তহশীলদার স্থাপনাটি গুড়িয়ে দেওয়ার পর ঘরের চাল, বেড়া ও সরঞ্জামাদি বিস্তৃর্ণ মাঠে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ। এ ব্যপারে চরভদ্রাসন থানায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলে একটি অভিযোগ পেশ করেছেন এবং তা তদন্তধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ক্ষতিগ্রস্থ মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মাহবুব ইসলাম জানায়, ১৬৪ নং চরভদ্রাসন মৌজার এস.এ. ৭৯০ নং খতিয়ানে ও ৯৭৬৬ নং দাগে উপজেলা সদরে হাজীডাঙ্গী গ্রামের ফসলী মাঠের এক একর ৬১ শতাংশ জমি তার মরহুম মুক্তিযোদ্ধা পিতার ক্রয়কৃত জমি। উপজেলা জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারী নূর ইসলাম তহশীলদারও উক্ত জমি ক্রয়সূত্রে মালিকানা দাবী করে আসছে। মুক্তিযোদ্ধার ছেলে দু’মাস আগে বিরোধীয় জমির দখলদারিত্ব মজবুত করার লক্ষ্যে একটি স্থাপনা গড়েন। আর উপজেলা জামায়াত নেতা দখলদারিত্ব উচ্ছেদের জন্য রাতের আধারে তার দলবল নিয়ে স্থাপনাটি গুড়িয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ। মাহবুব ইসলাম আরও বলেন, “ স্থাপনাটি অবৈধ হলে তা আইনের মাধ্যমে অপসারন করা যেত। জামায়াত নেতা তা না করে পেশী শক্তির বলে প্রায় গেড় লাখ টাকার স্তাপনা ক্ষতিগ্রস্থ করেছেন।

এ ব্যপারে জামায়াত নেতা নূর ইসলাম তহশীলদার বলেন, “ বিরোধীয় জমি নিয়ে কোর্টে মামলা রয়েছে। বিজ্ঞ আদালত জমির মালিকানা আমার নামে রায় দেওয়ার পর মুক্তিযোদ্ধার ছেলে হাইকোর্টে আপীল করেছে। কিন্ত আপীলের রায় হওয়ার আগেই তারা জমিতে স্থাপনা গড়েছেন। আর স্থাপনাটি কে বা কারা ভেঙেছে তা তিনি জানেন না বলেও জানান। বৃহস্পতিবার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শফিউদ্দিন খালাসী বলেন, “ অসহায় মুক্তিযোদ্ধার ছেলে মাহবুবের জমির বিরোধটি সুরাহার জন্য মাত্র ক’দিন আগে আ’লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহকেও অবগত করানো হয়েছে। কিন্ত জামায়াত নেতা প্রভাব প্রতিপত্তির জোরে রাতের আধারে স্থাপনাটির গুড়িয়ে দিয়েছে”।

Comments

comments

SHARE